Skip to main content

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে যে দেশগুলো

  বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ বিষয়ক গণভোট পর্যবেক্ষণে ১৬টি দেশ থেকে মোট ৫৭ জন পর্যবেক্ষক আসছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন ও গণভোট একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিপক্ষীয় এই পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসন বিষয়ক সংস্থার কয়েকশ পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, দ্বিপক্ষীয় পর্যবেক্ষক দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ জন প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী রামলান বিন দাতো হারুনের নেতৃত্বে এই পর্যবেক্ষকদল কাজ করবে। এরপরই রয়েছে তুরস্ক; দেশটির ১২ জন সংসদ সদস্যের নিয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্বে থাকবেন বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুল। এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫ জন, জাপান থেকে ৪ জন, পাকিস্তান থেকে ৩ জন এবং ভুটান, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, জর্ডান, জর্জিয়া, রাশিয়া, কিরগিজস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২ জন করে এবং শ্রীলঙ্কা, ইরান ও উজবেকিস্তান থেকে ১...

চোখ রাঙাচ্ছে ‘মেগা সুনামি’, নিশ্চিহ্ন হতে পারে যে দেশ

 




সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে’ প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, নর্থ ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপ থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার কেপ মেনডোসিনো পর্যন্ত বিস্তৃত ‘ক্যাসকাডিয়া সাবডাকশন জোন’। এ অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে মিলিত হয়ে ভয়াবহ মেগা সুনামি ডেকে আনতে পারে। এতে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া, উত্তর ওরেগন ও দক্ষিণ ওয়াশিংটনের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ ছাড়া, ধ্বংস হয়ে যেতে পারে আলাস্কা ও হাওয়াইও।


আরও পড়ুনঃ নয়াদিল্লিকে সংলাপের প্রস্তাব দিলেন শেহবাজ

আলাস্কা, হাওয়াই ও যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। কারণ সেগুলো দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের খুব কাছাকাছি। বিশেষ করে পশ্চিম উপকূলের জন্য নতুন করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।গবেষণায় বলা হয়েছে, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে ওই ফল্টলাইনে ৮ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১৫ শতাংশ। এতে সাড়ে ৬ ফুট পর্যন্ত ধসে যেতে পারে উপকূলীয় ভূমি।


গবেষণার প্রধান লেখক ও ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক টিনা দুরা জানিয়েছেন, ক্যাসকাডিয়া সাবডাকশন জোনে বড় ভূমিকম্প হলে উপকূলীয় বন্যাপ্রবণ এলাকা কতটা বাড়তে পারে, তা আগে কখনো হিসাব করা হয়নি। এর ফলে ভূমি ব্যবহারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে এবং পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।


আরও পড়ুনঃ চোখ রাঙাচ্ছে ‘মেগা সুনামি’, নিশ্চিহ্ন হতে পারে যে দেশ

আলাস্কা, হাওয়াই ও যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। কারণ সেগুলো দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের খুব কাছাকাছি। বিশেষ করে পশ্চিম উপকূলের জন্য নতুন করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।


হাওয়াই: আগ্নেয়দ্বীপগুলোতে অতীতে একাধিকবার মেগা সুনামি ঘটেছে। প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার বছর আগে লানাই দ্বীপে এক হাজার ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। বর্তমানে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া ও কিলাউইয়ার কারণে এখনো সেখানে বড় হুমকি রয়েছে।


পশ্চিম উপকূল: উত্তর আমেরিকার অন্যতম সক্রিয় ভূকম্পন এলাকা ক্যাসকাডিয়া সাবডাকশন জোনে আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই বড় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর অংশ, যেখানে টেকটোনিক প্লেট সংঘর্ষে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও অধিকাংশ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে।


আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেন ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রের এ অঞ্চলে ৮ মাত্রার বেশি শক্তির ভূমিকম্প সর্বশেষ আঘাত হেনেছিল ১৭০০ সালের ২৬ জানুয়ারি। টিনা দুরা আরও বলেন, ক্যাসকাডিয়া এক বিশেষ অঞ্চল। যদিও এখানে জনসংখ্যা খুব বেশি নয়, তবে প্রায় সব মোহনায় বসতি রয়েছে, আর সেগুলোই ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পড়ে। আমার মতে, এখানে ভূমি ধসের প্রভাব বিশ্বে সাম্প্রতিক বড় ভূমিকম্পগুলোর চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।


সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

এইমাএ পাওয়া: আবারও সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

  বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে মৌসুমী বায়ু। এই বায়ুর প্রভাবে অস্থায়ী ঝড় বয়ে যেতে পারে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে। এ অবস্থায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে টানা ১০ দিন ভারী বৃষ্টির আভাসও দিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ আবাহাওয়া অধিদপ্তরের পৃথক দুই বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। এদিন দেশের চার সমুদ্রবন্দর ও অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে অস্থায়ী ঝড়। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলো। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হলো।ছাড়া, অন্য আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২২ আ...

প্রকাশ্যে গুলি করা সেই যুবক অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছোড়ার ঘটনায় মাইনুল ইসলাম জিয়া (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার পাঁচানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জিয়া ফতুল্লা থানার পশ্চিম ভোলাইল এলাকার মোজা মিয়ার ছেলে। অভিযানে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, সাতটি টেটা, তিনটি চাপাতি ও একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব-১১ ব্যাটেলিয়নের অপস্ অফিসার ক্যাপ্টেন মো. রওনক এরফান খান বলেন, গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সোনারগাঁও উপজেলার পাঁচানী এলাকায় নদীর পাড়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় মাহি ও জিয়া নামের দুই যুবককে প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, ঘটনাটি র‍্যাবের নজরে আসার পর ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়। পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে র...

বিয়ের দুইদিন বাকি- মালয়েশিয়া প্রবাসী নূর মোহাম্মদের বাড়িতে আনন্দ, উৎসব আর সাজ সাজ রব। দেশে পা রেখেই কল দেন প্রাণপ্রিয় মাকে; কথা হয় দীর্ঘক্ষণ। একদিকে অনেকদিন পর পরিবারের লোকজনের মুখ দেখার আনন্দ; অন্যদিকে মনে বাজছিল বিয়ের সানাই। কিন্তু, মুহূর্তের মধ্যেই সব আনন্দ ভাসিয়ে নিয়ে গেল বানের পানি। নূর মোহাম্মদ মালয়েশিয়া থেকে এসেছিলেন বিয়ে করতে। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে যায় এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়। এই বিপর্যয়ে নিজের মাসহ পরিবারের ২৪ সদস্যকে হারান তিনি। বিয়ে জন্য এসে পরিবারের ২৪ জনের জানাজা পড়তে হলো তাকে।

  হৃদয় বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বুনের বিভাগের কাদির নগর গ্রামে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নূর মোহাম্মদ বলেন, আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না, মা কতটা খুশি ছিল।  কাদির নগর গ্রামে নিজের পরিবারের ৩৬ রুমের বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের পাশে বসে কাঁদতে কাঁদতে নূর মোহাম্মদ বলেন, সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। বাড়ির কোনো কিছু অবশিষ্ট নেই। শুধু বড় বড় পাথর আর ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে। বন্যার পানিতে সব ভেসে এসেছে। বন্যার সঙ্গে আসা পাথরগুলো সামনে যা ছিল তার সব ধসিয়ে দিয়েছে। বাদ যায়নি বাড়িঘর, দোকান, মার্কেট কিছুই। আমার বাড়ি, মা, বোন, ভাই, আমার চাচা, আমার দাদা এবং আর সব শিশুদের নিয়ে গেছে এই বন্যা। নূর মোহাম্মদ গত ১৫ আগস্ট মালয়েশিয়া থেকে পাকিস্তানে ফেরেন। ওইদিনই ইসলামাবাদ বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে আসার কথা ছিল তার। তখন বাড়িতে পুরোদমে তার বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু বিয়ের বদলে পরিবারের ২৪ জনের জানাজায় উপস্থিত হতে হয়েছে তাকে। মা, বোন, ভাই, চাচা, দাদা তার বাড়িতেই থাকতো। আর বিয়ে উপলক্ষে অন্য আত্মীয়রাও উপস্থিত হয়েছিলেন। তারাও ভয়াবহ এ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন। তবে, তাকে বিমানবন্দর থেকে আনতে য...